০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

কাপ্তাই হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশ

দৈনিক গণমানুষের ভাবনা রিপোর্ট

কাপ্তাই হ্রদের উপর অবস্থিত ঝুলন্ত সেতুটি রাঙ্গামাটির পর্যটনের এক বিশেষ আকর্ষণ। একারণেই সেতুটিকে বলা হয় ‘সিম্বল অব রাঙ্গামাটি।’ ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সেতুটি নির্মাণ করে। তিনশ ৩৫ ফুট দীর্ঘ সেতুটির অবস্থান রাঙ্গামাটির সদর উপজেলার তবলছড়ি এলাকায়।

সেতু দেখার জন্য পর্যটকরা স্থলপথ ও জলপথের যে কোনোটি ব্যবহার করতে পারে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন এই সেতু। কাপ্তাই হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশি আর দূরের নীল উঁচু-নীচু পাহাড়ের সারি এখানে তৈরি করেছে এক নৈসর্গিক আবহাওয়া। রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ করছে -ফোকাস বাংলা নিউজ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

আপডেট: ০১:১৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
১৯৪

কাপ্তাই হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশ

আপডেট: ০১:১৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

কাপ্তাই হ্রদের উপর অবস্থিত ঝুলন্ত সেতুটি রাঙ্গামাটির পর্যটনের এক বিশেষ আকর্ষণ। একারণেই সেতুটিকে বলা হয় ‘সিম্বল অব রাঙ্গামাটি।’ ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সেতুটি নির্মাণ করে। তিনশ ৩৫ ফুট দীর্ঘ সেতুটির অবস্থান রাঙ্গামাটির সদর উপজেলার তবলছড়ি এলাকায়।

সেতু দেখার জন্য পর্যটকরা স্থলপথ ও জলপথের যে কোনোটি ব্যবহার করতে পারে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন এই সেতু। কাপ্তাই হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশি আর দূরের নীল উঁচু-নীচু পাহাড়ের সারি এখানে তৈরি করেছে এক নৈসর্গিক আবহাওয়া। রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ করছে -ফোকাস বাংলা নিউজ