০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

ডেস্ক রিপোর্ট
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) চার পুলিশ সদস্য এবং দুই পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয় এবং রাত পর্যন্ত এ উত্তেজনা চলতে থাকে। এরই জেরে শনিবার সকাল থেকে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসি এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

আপডেট: ০১:৫০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

আপডেট: ০১:৫০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) চার পুলিশ সদস্য এবং দুই পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয় এবং রাত পর্যন্ত এ উত্তেজনা চলতে থাকে। এরই জেরে শনিবার সকাল থেকে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসি এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’