সুখি দেশের তালিকার শীর্ষে ফিনল্যান্ড, বাংলাদেশের অবস্থান কত?

‘সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল’ প্রাচীন বৈষ্ণব কবি জ্ঞানদাসের এই লাইন যেন আজও এক চিরন্তন প্রশ্ন তোলে! বাঙালিরা আসলে কতটা সুখী? আর বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশ আজ কোথায় দাঁড়িয়ে?
এই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে সম্প্রতি প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-এ। ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, টানা নবমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে ফিনল্যান্ড। তালিকায় ফিনল্যান্ডের পরেই রয়েছে আইসল্যান্ড। এরপর ডেনমার্ক, কোস্টারিকা এবং সুইডেন। আর এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কত, জানেন?
তার আগে জেনে নেই বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর অবস্থান। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় দেশ মিয়ানমারের অবস্থান ১২৯ নম্বরে, নেপাল ৯৯তম, ভারত রয়েছে ১১৬তম স্থানে, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১৩৪ এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১০৪।
২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের যে অবস্থান ছিল, তার তুলনায় কিছুটা উন্নতি হলেও প্রত্যাশিত স্থানে পৌঁছাতে পারেনি দেশটি। গত বছর তালিকার ১৩৪তম অবস্থান থেকে এবার ২০২৬ সালে ১২৭তম স্থানে উঠে এসেছে।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট -এর প্রতিবেদনে বরাবরের মতোই শীর্ষে রয়েছে উত্তর ইউরোপের দেশগুলো, আর তালিকার নিচের দিকে রয়েছে এশিয়ার দেশগুলো। একটি দেশের সুখ-শান্তি অনেকটাই নির্ভর করে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার ওপর। এই দিক থেকেই ইউরোপের দেশগুলো এগিয়ে, আর পিছিয়ে রয়েছে এশিয়ার দেশগুলো।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক বৈষম্য, কর্মসংস্থানের চাপ, সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি কম গুরুত্ব এসব কারণেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করে।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে গাল্ফ, অক্সফোর্ড ওয়েলবিং রিসার্চ সেন্টার এবং ইউনাইটেড ন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন নেটওয়ার্ক। নাগরিকদের জীবনমান, স্বাধীনতা, সামাজিক নিরাপত্তা ও আস্থার মতো সূচকের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়।















