০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

গণমানুষের ভাবনা রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও বিক্ষোভে নেমেছেন হাজারো মানুষ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির প্রতিবাদে শনিবার দেশজুড়ে এ বিক্ষোভ হয়। ‘নো কিংস’ শীর্ষক আন্দোলনের তৃতীয় দফা কর্মসূচি ছিল এ দিন। খবর রয়টার্সের।বিক্ষোভকারীরা মূলত কঠোর অভিবাসন নীতি, ইরান যুদ্ধ এবং প্রশাসনের অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সব অঙ্গরাজ্য মিলিয়ে ৩ হাজার ২০০টির বেশি কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছিল।নিউইয়র্ক, ডালাস, ফিলাডেলফিয়া ও ওয়াশিংটনের মতো বড় শহরগুলোতে বড় আকারের সমাবেশ হয়েছে। তবে এবার উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট শহর ও কমিউনিটিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে। আয়োজকদের দাবি, আগের কর্মসূচির তুলনায় ছোট শহরগুলোতে অংশগ্রহণ প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।এর আগে একই আন্দোলনের দুটি জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছিল।

সর্বশেষ এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণের বিস্তার আরও বেড়েছে, যা দেশজুড়ে অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।অভ্যন্তরীণ নীতি ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, দুই ক্ষেত্রেই চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

আপডেট: ০৪:০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট: ০৪:০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও বিক্ষোভে নেমেছেন হাজারো মানুষ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির প্রতিবাদে শনিবার দেশজুড়ে এ বিক্ষোভ হয়। ‘নো কিংস’ শীর্ষক আন্দোলনের তৃতীয় দফা কর্মসূচি ছিল এ দিন। খবর রয়টার্সের।বিক্ষোভকারীরা মূলত কঠোর অভিবাসন নীতি, ইরান যুদ্ধ এবং প্রশাসনের অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সব অঙ্গরাজ্য মিলিয়ে ৩ হাজার ২০০টির বেশি কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছিল।নিউইয়র্ক, ডালাস, ফিলাডেলফিয়া ও ওয়াশিংটনের মতো বড় শহরগুলোতে বড় আকারের সমাবেশ হয়েছে। তবে এবার উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট শহর ও কমিউনিটিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে। আয়োজকদের দাবি, আগের কর্মসূচির তুলনায় ছোট শহরগুলোতে অংশগ্রহণ প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।এর আগে একই আন্দোলনের দুটি জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছিল।

সর্বশেষ এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণের বিস্তার আরও বেড়েছে, যা দেশজুড়ে অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।অভ্যন্তরীণ নীতি ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, দুই ক্ষেত্রেই চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে।